০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার থেকে কঠিন চীবর দানোৎসব শুরু

আগামীকাল শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০২:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫১৪ বার পড়া হয়েছে

আগামীকাল ২৫ অক্টোবর রবিবার শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা।

 

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দিবা  ১১টা ২৮ মিনিটে পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়ে সোমবার   সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে শেষ হবে।

আত্মশুদ্ধি অর্জনের মধ্য দিয়ে অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের আয়োজন এই প্রবারণা।

মহামতি গৌতম বুদ্ধ নির্বাণ লাভের পর আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে অশ্বিনী পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত তিন মাস প্রবারণা ব্রত পালন করেন। সেই থেকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বর্ষাবাস শেষে এই দিনটি পালন করেন।

প্রতিবছর আষাঢ় মাসে প্রবারণা পূর্ণিমার পরদিন থেকে এক মাস ধরে দেশের প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে শুভ কঠিন চীবর দান উৎসব হয়ে থাকে।

কঠিন চীবর দান উৎসব বৌদ্ধদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর শুভ প্রবারণার মধ্য দিয়ে বিহারে বিহারে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করা হয়, যা চলে মাসজুড়ে।

বৌদ্ধদের মতে, এই পূর্ণিমা তিথিতে মহামতি গৌতম বুদ্ধ তাবতিংস স্বর্গে মাতৃদেবীকে অভিধর্ম দেশনার পর ভারতের সাংকাশ্য নগরে অবতরণ করেন। মানবজাতির সুখ, শান্তি ও কল্যাণের লক্ষ্যে দিকে দিকে স্বধর্ম প্রচারের জন্য তিনি ভিক্ষু সংঘকে নির্দেশ দেন। একই দিন তাঁর তিন মাসের বর্ষাবাসের পরিসমাপ্তি ঘটে। পূজনীয় ভিক্ষু সংঘের ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত শেষে আসে এ প্রবারণা তিথি। প্রবারণা হলো আত্মশুদ্ধি ও অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের অনুষ্ঠান।

বৌদ্ধ ধর্মীয় লেখক সুদর্শন বড়ুয়া বলেন, আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা পর্যন্ত তিন মাস বর্ষাব্রত শেষে প্রবারণা উৎসবের আয়োজন করা হয় বৌদ্ধ পল্লীতে। প্রবারণা অর্থ আত্মসমর্পণ ও আত্মশুদ্ধির অনুষ্ঠান। এটি ভিক্ষু সংঘের বিনয়-কর্মের নাম। বুদ্ধের সময়কালে শত শত ভিক্ষু সংঘ একই স্থানে অবস্থান করে ধর্ম ও বিনয় শিক্ষা করতেন। এ উপলক্ষে বৌদ্ধ বিহারগুলোয় ফানুস উত্তোলন করা হয়।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

সোমবার থেকে কঠিন চীবর দানোৎসব শুরু

আগামীকাল শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

আপডেট সময় ০২:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

আগামীকাল ২৫ অক্টোবর রবিবার শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা।

 

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দিবা  ১১টা ২৮ মিনিটে পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়ে সোমবার   সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে শেষ হবে।

আত্মশুদ্ধি অর্জনের মধ্য দিয়ে অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের আয়োজন এই প্রবারণা।

মহামতি গৌতম বুদ্ধ নির্বাণ লাভের পর আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে অশ্বিনী পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত তিন মাস প্রবারণা ব্রত পালন করেন। সেই থেকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বর্ষাবাস শেষে এই দিনটি পালন করেন।

প্রতিবছর আষাঢ় মাসে প্রবারণা পূর্ণিমার পরদিন থেকে এক মাস ধরে দেশের প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে শুভ কঠিন চীবর দান উৎসব হয়ে থাকে।

কঠিন চীবর দান উৎসব বৌদ্ধদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর শুভ প্রবারণার মধ্য দিয়ে বিহারে বিহারে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করা হয়, যা চলে মাসজুড়ে।

বৌদ্ধদের মতে, এই পূর্ণিমা তিথিতে মহামতি গৌতম বুদ্ধ তাবতিংস স্বর্গে মাতৃদেবীকে অভিধর্ম দেশনার পর ভারতের সাংকাশ্য নগরে অবতরণ করেন। মানবজাতির সুখ, শান্তি ও কল্যাণের লক্ষ্যে দিকে দিকে স্বধর্ম প্রচারের জন্য তিনি ভিক্ষু সংঘকে নির্দেশ দেন। একই দিন তাঁর তিন মাসের বর্ষাবাসের পরিসমাপ্তি ঘটে। পূজনীয় ভিক্ষু সংঘের ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত শেষে আসে এ প্রবারণা তিথি। প্রবারণা হলো আত্মশুদ্ধি ও অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের অনুষ্ঠান।

বৌদ্ধ ধর্মীয় লেখক সুদর্শন বড়ুয়া বলেন, আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা পর্যন্ত তিন মাস বর্ষাব্রত শেষে প্রবারণা উৎসবের আয়োজন করা হয় বৌদ্ধ পল্লীতে। প্রবারণা অর্থ আত্মসমর্পণ ও আত্মশুদ্ধির অনুষ্ঠান। এটি ভিক্ষু সংঘের বিনয়-কর্মের নাম। বুদ্ধের সময়কালে শত শত ভিক্ষু সংঘ একই স্থানে অবস্থান করে ধর্ম ও বিনয় শিক্ষা করতেন। এ উপলক্ষে বৌদ্ধ বিহারগুলোয় ফানুস উত্তোলন করা হয়।