০৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চীনের ওশান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুমন বড়ুয়ার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০৯:৪০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • ৭১০ বার পড়া হয়েছে

চীনের ওশান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সুমন বড়ুয়া।

উল্লেখ্য তিনি ২৭ তম বিসিএস ক্যাডারে মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে ২০০৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১ম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।

এরপর থেকে নিষ্ঠার সাথে প্রতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। পাশাপাশি তিনি দেশ এবং দেশের বাইরে আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বৃত্তি” মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বৃত্তি নিয়ে কয়েক বছর আগে চীনে গিয়ে নদী ও সমু্দ্রের জীববৈচিত্র্য বিষয়ক গবেষণার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণা পত্র বিভিন্ন দেশের ১ম সারির নামকরা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি কয়েকমাস আগে উপসচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়েছিলেন।

তিনি পটিয়ার জোয়ারা খানখানাবাদ গ্রামের মৃত বাদল বড়ুয়া ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মুক্তি রানী বড়ুয়ার সন্তান।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ পায়ে হাঁটলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের বৌদ্ধ ভিক্ষুরা

চীনের ওশান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুমন বড়ুয়ার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

আপডেট সময় ০৯:৪০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

চীনের ওশান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সুমন বড়ুয়া।

উল্লেখ্য তিনি ২৭ তম বিসিএস ক্যাডারে মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে ২০০৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১ম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।

এরপর থেকে নিষ্ঠার সাথে প্রতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। পাশাপাশি তিনি দেশ এবং দেশের বাইরে আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বৃত্তি” মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বৃত্তি নিয়ে কয়েক বছর আগে চীনে গিয়ে নদী ও সমু্দ্রের জীববৈচিত্র্য বিষয়ক গবেষণার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণা পত্র বিভিন্ন দেশের ১ম সারির নামকরা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি কয়েকমাস আগে উপসচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়েছিলেন।

তিনি পটিয়ার জোয়ারা খানখানাবাদ গ্রামের মৃত বাদল বড়ুয়া ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মুক্তি রানী বড়ুয়ার সন্তান।