০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দশম সংঘরাজ প্রয়াত জ্যোতিপাল মহাথের’র ১১৫ জন্মবার্ষিকী আজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০২:১১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ সঙ্ঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার দশম সংঘরাজ , মহান মুক্তিযুদ্ধের আন্তর্জাতিক সংগঠক প্রয়াত জ্যোতিপাল মহাথের’র ১১৫ জন্মবার্ষিকী আজ।

সংঘরাজ জ্যোতিঃপাল মহাথের ১৯১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি  জেলার “লাকসাম উপজেলা” লাকসাম উপজেলার কেমতলী নামক গ্রামে বৌদ্ধ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম চন্দ্রমনি সিংহ ও মাতার নাম দ্রৌপদী বালা সিংহ। তিনি পিতা-মাতার কনিষ্ঠতম সন্তান। তিনি বাংলাদশের বৌদ্ধদের ১০তম ধর্মীয় গুরু। তিনি ২০০২ সালের ১২ই এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে মারা যান। তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৫ বছর বয়সে ১৯৩৩ সালে শ্রামণ্য ধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৩৮ সালে তিনি উপসম্পদা গ্রহণ করেন, অর্থাৎ ভিক্ষু হন। তিনি পাহাড়তলি মহামুনি পালি কলেজ, কলকাতা ও নালন্দা বিদ্যাভবনে পালি ভাষা, সাহিত্য ইত্যাদি বিষয়ে প্রগাঢ় পান্ডিত্য অর্জন করেন। তিনি বাংলা, হিন্দি, পালি, ইংরেজি ভাষায় দক্ষ ছিলেন। তিনি বহু জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, যেমন,১৯৯১ সালে বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়স্থ বিশ্ব শান্তি প্যাগোডা,বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (বর্তমানে কলেজ), অনাথ আশ্রম ইত্যাদি।

তাকে ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব নাগরিক উপাধি দেয়। তিনি নালন্দা বিদ্যাভবন থেকে এিপিটক বিশারদ উপাধি পান। তিনি বাংলাদেশ সঙ্ঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার দশম ‘সংঘরাজ’ ছিলেন। তিনি ২০১০ সালে একুশে পদক, ২০১১ সালে স্বাধীনতা পদক(মরনোত্তর) পান। তিনি মায়ানমার সরকার কর্তৃক ‘অগ্গমহাদ্ধর্মজোতি কাধ্বজ’ উপাধিতে ভূষিত হন। তার নামে তার বিহারের নামকরণ করা হয়েছে ‘সংঘরাজ জ্যোতি:পাল মহাথের বৌদ্ধ মহাবিহার কমপ্লেক্স।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

তিব্বতি আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা ৯০ বছর বয়সে গ্র্যামি পেলেন

দশম সংঘরাজ প্রয়াত জ্যোতিপাল মহাথের’র ১১৫ জন্মবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় ০২:১১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ সঙ্ঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার দশম সংঘরাজ , মহান মুক্তিযুদ্ধের আন্তর্জাতিক সংগঠক প্রয়াত জ্যোতিপাল মহাথের’র ১১৫ জন্মবার্ষিকী আজ।

সংঘরাজ জ্যোতিঃপাল মহাথের ১৯১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি  জেলার “লাকসাম উপজেলা” লাকসাম উপজেলার কেমতলী নামক গ্রামে বৌদ্ধ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম চন্দ্রমনি সিংহ ও মাতার নাম দ্রৌপদী বালা সিংহ। তিনি পিতা-মাতার কনিষ্ঠতম সন্তান। তিনি বাংলাদশের বৌদ্ধদের ১০তম ধর্মীয় গুরু। তিনি ২০০২ সালের ১২ই এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে মারা যান। তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৫ বছর বয়সে ১৯৩৩ সালে শ্রামণ্য ধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৩৮ সালে তিনি উপসম্পদা গ্রহণ করেন, অর্থাৎ ভিক্ষু হন। তিনি পাহাড়তলি মহামুনি পালি কলেজ, কলকাতা ও নালন্দা বিদ্যাভবনে পালি ভাষা, সাহিত্য ইত্যাদি বিষয়ে প্রগাঢ় পান্ডিত্য অর্জন করেন। তিনি বাংলা, হিন্দি, পালি, ইংরেজি ভাষায় দক্ষ ছিলেন। তিনি বহু জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, যেমন,১৯৯১ সালে বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়স্থ বিশ্ব শান্তি প্যাগোডা,বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (বর্তমানে কলেজ), অনাথ আশ্রম ইত্যাদি।

তাকে ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব নাগরিক উপাধি দেয়। তিনি নালন্দা বিদ্যাভবন থেকে এিপিটক বিশারদ উপাধি পান। তিনি বাংলাদেশ সঙ্ঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার দশম ‘সংঘরাজ’ ছিলেন। তিনি ২০১০ সালে একুশে পদক, ২০১১ সালে স্বাধীনতা পদক(মরনোত্তর) পান। তিনি মায়ানমার সরকার কর্তৃক ‘অগ্গমহাদ্ধর্মজোতি কাধ্বজ’ উপাধিতে ভূষিত হন। তার নামে তার বিহারের নামকরণ করা হয়েছে ‘সংঘরাজ জ্যোতি:পাল মহাথের বৌদ্ধ মহাবিহার কমপ্লেক্স।