১২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাছবাড়ীয়া সরকারি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হলেন অধ্যাপক ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০১:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৮৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়াকে গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে ।

শনিবার (১১ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ পদায়নের আদেশ জারি করা হয়।

প্রফেসর ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া ১৬শ বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা। তার জন্ম ১৯৬৭ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পূর্বগুজরা – ছাদাংগড়খীল গ্রামে। ১৯৯৬ সালের ১২ আগস্ট রামগঞ্জ সরকারি কলেজ, লক্ষীপুর-এ প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৯৭ সালে বদলী হয়ে গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ, বোয়ালখালী এবং চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে, সাতকানিয়া সরকারি কলেজে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ০২ ডিসেম্বরে তিনি গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। এরপর গত ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখের সরকারি প্রজ্ঞাপন এর মাধ্যমে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়িত হন ১৪ ডিসেম্বর যোগদান করেন। উল্লেখ্য যে, তিনি ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ১০ আগস্ট পর্যন্ত এবং ২০২৫ সালের ০২ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বপালনকালীন সময়ে ২০২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি চন্দনাইশ উপজেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন।

প্রফেসর ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে তিনি প্রথম পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করার গৌরব অর্জন করেন।

সাংগঠনিকভাবে তিনি বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ’র সাংগঠনিক সচিব। তিনি বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ যুব’র দীর্ঘ নয় বছর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তখন তিনি বিশ্ববৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ যুব, থাইল্যান্ড এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার দূর্লভ সুযোগ পান এবং সংগঠনের ধম্ম প্রোপাগেশন শাখার কোঅর্ডিনেটর ছিলেন।

পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি আরো কিছু কাজ করেন। তিনি রাউজান উপজেলাধীন অগ্রসার বালিকা মহাবিদ্যালয় এর এডহক কমিটি’র সভাপতি, পূর্বগুজরা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি’র ০৩ বারের নির্বাচিত সদস্য, অগ্রসার বৌদ্ধ অনাথালয় উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি’র দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎসাহী সদস্য হিসেবে কাজ করছিন। এছাড়াও তিনি নব পণ্ডিত বিহার পরিচালনা কমিটি, মুন্সিগঞ্জ জেলার বজ্রযোগীনিতে অবস্থিত অতীশ মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটি, অগ্রসার মেমোরিয়াল সোসাীঅব বাংলাদেশ, বৃহত্তর হোয়ারাপাড়া বৌদ্ধ কল্যাণ সমিতি-চট্টগ্রাম মহানগর এর কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর পিতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অনিল কান্তি বড়ুয়া, মাতা ধার্মিক উপাসিকা জ্যোৎস্নাপ্রভা বড়ুয়া। তিনি দুই সন্তানের জনক। ছেলে সুপান্থ বড়ুয়া চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এ ইইই বিভাগের চতুর্থ বর্ষে এবং মেয়ে প্রতীতি বড়ুয়া চট্টগ্রাম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। তাঁর সসহধর্মিণী ইংরেজি সাহিত্যে এম এ ডিগ্রীধারী। তিনি রেডিয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজে কর্মরত।

তিনি সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, বেরানো উপলক্ষে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। তন্মধ্যে চীন (০২ বার), জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত (০৩ বার), ভূটান, নেপাল, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড (০৩ বার) ভ্রমণ করেন।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

তিব্বতি আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা ৯০ বছর বয়সে গ্র্যামি পেলেন

গাছবাড়ীয়া সরকারি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হলেন অধ্যাপক ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া

আপডেট সময় ০১:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামের গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়াকে গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে ।

শনিবার (১১ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ পদায়নের আদেশ জারি করা হয়।

প্রফেসর ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া ১৬শ বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা। তার জন্ম ১৯৬৭ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পূর্বগুজরা – ছাদাংগড়খীল গ্রামে। ১৯৯৬ সালের ১২ আগস্ট রামগঞ্জ সরকারি কলেজ, লক্ষীপুর-এ প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৯৭ সালে বদলী হয়ে গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ, বোয়ালখালী এবং চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে, সাতকানিয়া সরকারি কলেজে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ০২ ডিসেম্বরে তিনি গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। এরপর গত ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখের সরকারি প্রজ্ঞাপন এর মাধ্যমে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়িত হন ১৪ ডিসেম্বর যোগদান করেন। উল্লেখ্য যে, তিনি ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ১০ আগস্ট পর্যন্ত এবং ২০২৫ সালের ০২ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বপালনকালীন সময়ে ২০২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি চন্দনাইশ উপজেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন।

প্রফেসর ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে তিনি প্রথম পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করার গৌরব অর্জন করেন।

সাংগঠনিকভাবে তিনি বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ’র সাংগঠনিক সচিব। তিনি বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ যুব’র দীর্ঘ নয় বছর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তখন তিনি বিশ্ববৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ যুব, থাইল্যান্ড এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার দূর্লভ সুযোগ পান এবং সংগঠনের ধম্ম প্রোপাগেশন শাখার কোঅর্ডিনেটর ছিলেন।

পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি আরো কিছু কাজ করেন। তিনি রাউজান উপজেলাধীন অগ্রসার বালিকা মহাবিদ্যালয় এর এডহক কমিটি’র সভাপতি, পূর্বগুজরা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি’র ০৩ বারের নির্বাচিত সদস্য, অগ্রসার বৌদ্ধ অনাথালয় উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি’র দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎসাহী সদস্য হিসেবে কাজ করছিন। এছাড়াও তিনি নব পণ্ডিত বিহার পরিচালনা কমিটি, মুন্সিগঞ্জ জেলার বজ্রযোগীনিতে অবস্থিত অতীশ মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটি, অগ্রসার মেমোরিয়াল সোসাীঅব বাংলাদেশ, বৃহত্তর হোয়ারাপাড়া বৌদ্ধ কল্যাণ সমিতি-চট্টগ্রাম মহানগর এর কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর পিতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অনিল কান্তি বড়ুয়া, মাতা ধার্মিক উপাসিকা জ্যোৎস্নাপ্রভা বড়ুয়া। তিনি দুই সন্তানের জনক। ছেলে সুপান্থ বড়ুয়া চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এ ইইই বিভাগের চতুর্থ বর্ষে এবং মেয়ে প্রতীতি বড়ুয়া চট্টগ্রাম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। তাঁর সসহধর্মিণী ইংরেজি সাহিত্যে এম এ ডিগ্রীধারী। তিনি রেডিয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজে কর্মরত।

তিনি সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, বেরানো উপলক্ষে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। তন্মধ্যে চীন (০২ বার), জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত (০৩ বার), ভূটান, নেপাল, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড (০৩ বার) ভ্রমণ করেন।