১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির ধর্মসভা ও গুণীজন সংবর্ধনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ১১:১৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • ৭৭৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে  দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১৩ জুন) বিকেলে কাজীর দেউড়িস্থ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে  তিন পর্বের অনুষ্ঠানে ছিল –বৈকালিক ভৈষজ্য সংঘদান, ধর্মসভা, গুণীজন সংবর্ধনা, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিবৃন্দ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রথম পর্ব বৈকালিক ভৈষজ্য সংঘদান, ধর্মসভায় সভাপতিত্ব করেন উপসংঘরাজ শাসনভাস্কর শাসনপ্রিয় মহাস্থবির, প্রধান অতিথি ছিলেন, উপসংঘরাজ সদ্ধর্মবারিধি প্রিয়দর্শী মহাস্থবির, সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন সদ্ধর্মনিধি উপসংঘরাজ ধর্মদর্শী মহাস্থবির। ধর্মদূত ভদন্ত তিলোকাবংশ মহাস্থবিবের সঞ্চালনায় উদ্বোধক ছিলেন প্রজ্ঞাসারথী ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাস্থবির।

 

অনুষ্ঠানে আশির্বাণী প্রদান করেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার সংঘরাজ শাসন শোভন  ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির।

সংবর্ধনা পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর সি আর আবরার। উদ্বোধক ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। অনুষ্ঠানে দেশ ও সম্প্রদায়ে নানাবিধ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬ গুণীজনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তারা হলেন- স্বাধীনতা ও একুশে পদকে ভূষিত টাঙ্গাইল কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক ও ভাষাসংগ্রামী প্রতিভা মুৎসুদ্দী, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পদকে ভূষিত বরেণ্য ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া, একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক-সাহিত্যিক সুব্রত বড়ুয়া, সাহিত্যিক-গবেষক, সংগঠক অধ্যাপক বাদল বরণ বড়ুয়া, একুশে পদকপ্রাপ্ত, লেখক প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া ও শিল্পপতি স্বপন কুমার চৌধুরী। । সংবর্ধিত অতিথিরা হলেন–ভবেশ চাকমা, মেজর (অব.) ডা. অজয় প্রকাশ চাকমা, মং হলা চিং, অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, রাজীব কান্তি বড়ুয়া, সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া।

দুই পর্বে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া ও বৌদ্ধ সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন আদর্শ কুমার বড়ুয়া।

ড. সৌমেন বড়ুয়া ও রুমিলা বড়ুয়ার সঞ্চালনায় গুণীজনদের পক্ষ থেকে অনুভূতি প্রকাশ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, দানশীল ব্যক্তিত্ব স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির যুগ্ম মহাসচিব  অরুন কুমার বড়ুয়া দেবু , বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রিটন কুমার বড়ুয়া ও উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী,  ইঞ্জিনিয়ার অসীম কুমার বড়ুয়া।

বক্তব্য দেন  ভদন্ত বসুমিত্র মহাস্থবির,ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাস্থবির, ভদন্ত শাসনানন্দ মহাস্থবির,ভদন্ত পরমানন্দ মহাস্থবির, ভদন্ত শীলভদ্র মহাস্থবির, ভদন্ত প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাস্থবির, ভদন্ত ড. ধর্মকীর্তি মহাস্থবির,ভদন্ত শাসনশ্রী মহাস্থবির. ভদন্ত বিনয়পাল মহাস্থবির,  বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রোটারিয়ান সপু বড়ুয়া।

শিল্পী তাপস বড়ুয়ার পরিচালনায় ছিল উদ্বোধন সংগীত। পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন সত্যপ্রিয় বড়ুয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে  শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর সি আর আবরার বলেন, গুণীজনরা হচ্ছেন দেশ ও সমাজের অগ্রণী প্রদর্শক। আর শিক্ষার্থিরা হচ্ছেন সে পথের পথিক। উভয়ের সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি আজ যে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো তা সত্যিই অনুকরণীয়।

শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সি আর আবরার বলেন,মহামতি গৌতম বুদ্ধ সুস্পষ্টভাবে জ্ঞান আহরণ ও মূল্যবোধ সৃষ্টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেছিলেন। সেই আড়াই হাজার বছর আগে প্রচারিত গৌতম বুদ্ধের বাণী আমাদের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলন ঘটাতে পারলে প্রত্যেকের বাস্তবজীবন সফল ও সুন্দর হবে। তিনি বলেন আমাদের শিক্ষা পদ্ধতি হতে হবে আনন্দ মুখর। যেখানে মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে সমাজে একজন ভালো মানুষ হওয়ার পথে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে। প্রতিযোগিতামুলক শিক্ষা কখনো ভালো মানুষ সৃষ্টি করতে পারেনা।

তিনি বলেন, শিক্ষা মানুষকে বিনয় করে। সকলের মধ্যে শিক্ষার ছোঁয়া পড়লে সমগ্র বাংলাদেশ পরিবর্তন হতে বেশি সময় লাগবে না। প্রকৃত শিক্ষা যে অর্জন করেছে সে কখনো অহংকারী হবেনা। সে কখনো দাম্ভিক হবেনা। সেগুলো পরিহার করে নম্র  ও বিনয়ী হবে। শিক্ষা মানুষকে বিনয় করে। একজন ছাত্র যদি শিক্ষক ও পরিবারের মধ্যে থেকে সঠিক শিক্ষা পায় সে ছাত্র কখনো দম্ভ দেখাবেনা সে বিনয়ী হবে। শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য করা যাবেনা। শিক্ষা হচ্ছে প্রকৃত মানুষ হওয়ার প্রধান মাধ্যম এ ব্যাপারে সকলকে সর্তক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষা পদ্ধতি হতে হবে আনন্দমুখর। যেখানে মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে সমাজে একজন ভালো মানুষ হওয়ার পথে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে।

বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সমিতির বার্ষিক প্রকাশনা সংগঠনের প্রকাশনা সম্পাদক রাঙামাটি সরকারি কলেজের (অব.) অধ্যক্ষ প্রফেসর তুষার কান্তি বড়ুয়ার সম্পাদনায় ‘বিশ্বমৈত্রী’ প্রকাশিত হয়।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

তিব্বতি আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা ৯০ বছর বয়সে গ্র্যামি পেলেন

বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির ধর্মসভা ও গুণীজন সংবর্ধনা

আপডেট সময় ১১:১৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে  দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১৩ জুন) বিকেলে কাজীর দেউড়িস্থ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে  তিন পর্বের অনুষ্ঠানে ছিল –বৈকালিক ভৈষজ্য সংঘদান, ধর্মসভা, গুণীজন সংবর্ধনা, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিবৃন্দ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রথম পর্ব বৈকালিক ভৈষজ্য সংঘদান, ধর্মসভায় সভাপতিত্ব করেন উপসংঘরাজ শাসনভাস্কর শাসনপ্রিয় মহাস্থবির, প্রধান অতিথি ছিলেন, উপসংঘরাজ সদ্ধর্মবারিধি প্রিয়দর্শী মহাস্থবির, সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন সদ্ধর্মনিধি উপসংঘরাজ ধর্মদর্শী মহাস্থবির। ধর্মদূত ভদন্ত তিলোকাবংশ মহাস্থবিবের সঞ্চালনায় উদ্বোধক ছিলেন প্রজ্ঞাসারথী ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাস্থবির।

 

অনুষ্ঠানে আশির্বাণী প্রদান করেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার সংঘরাজ শাসন শোভন  ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির।

সংবর্ধনা পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর সি আর আবরার। উদ্বোধক ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। অনুষ্ঠানে দেশ ও সম্প্রদায়ে নানাবিধ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬ গুণীজনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তারা হলেন- স্বাধীনতা ও একুশে পদকে ভূষিত টাঙ্গাইল কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক ও ভাষাসংগ্রামী প্রতিভা মুৎসুদ্দী, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পদকে ভূষিত বরেণ্য ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া, একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক-সাহিত্যিক সুব্রত বড়ুয়া, সাহিত্যিক-গবেষক, সংগঠক অধ্যাপক বাদল বরণ বড়ুয়া, একুশে পদকপ্রাপ্ত, লেখক প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া ও শিল্পপতি স্বপন কুমার চৌধুরী। । সংবর্ধিত অতিথিরা হলেন–ভবেশ চাকমা, মেজর (অব.) ডা. অজয় প্রকাশ চাকমা, মং হলা চিং, অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, রাজীব কান্তি বড়ুয়া, সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া।

দুই পর্বে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া ও বৌদ্ধ সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন আদর্শ কুমার বড়ুয়া।

ড. সৌমেন বড়ুয়া ও রুমিলা বড়ুয়ার সঞ্চালনায় গুণীজনদের পক্ষ থেকে অনুভূতি প্রকাশ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, দানশীল ব্যক্তিত্ব স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির যুগ্ম মহাসচিব  অরুন কুমার বড়ুয়া দেবু , বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রিটন কুমার বড়ুয়া ও উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী,  ইঞ্জিনিয়ার অসীম কুমার বড়ুয়া।

বক্তব্য দেন  ভদন্ত বসুমিত্র মহাস্থবির,ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাস্থবির, ভদন্ত শাসনানন্দ মহাস্থবির,ভদন্ত পরমানন্দ মহাস্থবির, ভদন্ত শীলভদ্র মহাস্থবির, ভদন্ত প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাস্থবির, ভদন্ত ড. ধর্মকীর্তি মহাস্থবির,ভদন্ত শাসনশ্রী মহাস্থবির. ভদন্ত বিনয়পাল মহাস্থবির,  বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রোটারিয়ান সপু বড়ুয়া।

শিল্পী তাপস বড়ুয়ার পরিচালনায় ছিল উদ্বোধন সংগীত। পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন সত্যপ্রিয় বড়ুয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে  শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর সি আর আবরার বলেন, গুণীজনরা হচ্ছেন দেশ ও সমাজের অগ্রণী প্রদর্শক। আর শিক্ষার্থিরা হচ্ছেন সে পথের পথিক। উভয়ের সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি আজ যে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো তা সত্যিই অনুকরণীয়।

শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সি আর আবরার বলেন,মহামতি গৌতম বুদ্ধ সুস্পষ্টভাবে জ্ঞান আহরণ ও মূল্যবোধ সৃষ্টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেছিলেন। সেই আড়াই হাজার বছর আগে প্রচারিত গৌতম বুদ্ধের বাণী আমাদের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলন ঘটাতে পারলে প্রত্যেকের বাস্তবজীবন সফল ও সুন্দর হবে। তিনি বলেন আমাদের শিক্ষা পদ্ধতি হতে হবে আনন্দ মুখর। যেখানে মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে সমাজে একজন ভালো মানুষ হওয়ার পথে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে। প্রতিযোগিতামুলক শিক্ষা কখনো ভালো মানুষ সৃষ্টি করতে পারেনা।

তিনি বলেন, শিক্ষা মানুষকে বিনয় করে। সকলের মধ্যে শিক্ষার ছোঁয়া পড়লে সমগ্র বাংলাদেশ পরিবর্তন হতে বেশি সময় লাগবে না। প্রকৃত শিক্ষা যে অর্জন করেছে সে কখনো অহংকারী হবেনা। সে কখনো দাম্ভিক হবেনা। সেগুলো পরিহার করে নম্র  ও বিনয়ী হবে। শিক্ষা মানুষকে বিনয় করে। একজন ছাত্র যদি শিক্ষক ও পরিবারের মধ্যে থেকে সঠিক শিক্ষা পায় সে ছাত্র কখনো দম্ভ দেখাবেনা সে বিনয়ী হবে। শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য করা যাবেনা। শিক্ষা হচ্ছে প্রকৃত মানুষ হওয়ার প্রধান মাধ্যম এ ব্যাপারে সকলকে সর্তক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষা পদ্ধতি হতে হবে আনন্দমুখর। যেখানে মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে সমাজে একজন ভালো মানুষ হওয়ার পথে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে।

বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সমিতির বার্ষিক প্রকাশনা সংগঠনের প্রকাশনা সম্পাদক রাঙামাটি সরকারি কলেজের (অব.) অধ্যক্ষ প্রফেসর তুষার কান্তি বড়ুয়ার সম্পাদনায় ‘বিশ্বমৈত্রী’ প্রকাশিত হয়।