০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংগীতে একুশে পদক পেলেন ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০৮:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৭০৫ বার পড়া হয়েছে

সংগীতে অনবদ্য অবদানের জন্য মরণোত্তর একুশে পদক পেলেন ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া। পদকটি গ্রহণ করেন তাঁর সন্তান ফালগুনি বড়ুয়া।

সংগীতে অনবদ্য অবদানের জন্য মরণোত্তর একুশে পদক পেলেন ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া। পদকটি গ্রহণ করেন তাঁর সন্তান ফালগুনি বড়ুয়া।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

এ বছর পদকের জন্য মনোনীতরা হলেন, চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা, গবেষণায় মঈদুল হাসান, শিক্ষায় ড. নিয়াজ জামান, আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন ও চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা, সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লাহ (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান (দলনেতা), রিফাত নবী (দলগত), মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম (দলগত) ও শাবাব মুস্তাফা (দলগত) সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর), সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান, ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মো. শহিদুল হক) (মরণোত্তর), সংস্কৃতি ও শিক্ষায় ড. শহিদুল আলম এবং ক্রীড়ায় বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল মনোনীত হয়েছে।

সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক দিয়ে থাকে। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এই পদক চালু করা হয়।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

তিব্বতি আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা ৯০ বছর বয়সে গ্র্যামি পেলেন

সংগীতে একুশে পদক পেলেন ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া

আপডেট সময় ০৮:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সংগীতে অনবদ্য অবদানের জন্য মরণোত্তর একুশে পদক পেলেন ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া। পদকটি গ্রহণ করেন তাঁর সন্তান ফালগুনি বড়ুয়া।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

এ বছর পদকের জন্য মনোনীতরা হলেন, চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা, গবেষণায় মঈদুল হাসান, শিক্ষায় ড. নিয়াজ জামান, আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন ও চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা, সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লাহ (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান (দলনেতা), রিফাত নবী (দলগত), মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম (দলগত) ও শাবাব মুস্তাফা (দলগত) সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর), সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান, ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মো. শহিদুল হক) (মরণোত্তর), সংস্কৃতি ও শিক্ষায় ড. শহিদুল আলম এবং ক্রীড়ায় বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল মনোনীত হয়েছে।

সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক দিয়ে থাকে। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এই পদক চালু করা হয়।