০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিমান বিধ্বস্তে নিহত উক্য চিং মারমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • ৬০১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে  রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়া গ্রামে  মেধাবী ছাত্র উক্য চিং মারমা্র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

আজ (২৩ জুলাই) বুধবার বিকেল ৩টায় তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন শেষ করে তাকে শ্মশানে নিয়ে যায়।এবং উক্যছাইং মারমাকে(১৪) বৌদ্ধ ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী তাকে সমাহিত করা হয়।

জানা যায়, উক্য চিং মেধাবী ও বিনয়ী ছিলেন এবং সৃজনশীল চিন্তা ভাবনাও ছিল তার মধ্যে।  পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত গ্রামে পড়াশোনা করে,  পরে উচ্চ শিক্ষার লক্ষে ঢাকায় নিয়ে যান তার পরিবার।

তার বাবা উসাইমং মারমা বলেন-আমার ছেলে অত্যন্ত বিনয়ী এবং মেধাবী ছিলেন। উক্যছাইং বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন ছিল তা আর হলো না। গত ২১ জুলাই আমার কাছে একটা কল আসে দুপুরে ওপর দিক থেকে বলে আপনি কোথায় আছেন আমি বললাম আমি রাজস্থলী তখন ওপার থেকে বলেন আপনার ছেলে হাসপাতালে আপনাকে দ্রুত আসতে হবে না হয় কোন আত্মায়ী থাকলে তাদের পাঠান।তখন আমার আত্মীয়দের পাঠালাম এবং আমি রাত ১২ টায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পৌছায় এবং ডাক্তার বলেন আপনার ছেলে শতভাগ বার্ন হয়েছে।তার জন্য দোয়া করেন। এ কথাগুলো বলতে বলতে শুধু কান্না করছেন।তিনি বলেন তার ভালো কথা বলে শেষ করতে পারব না।

অন্যদিকে তার (উক্যছাইং)মা কোনভাবে কথা বলতে পারছেন না বার বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন ছেলের শোকে।

 

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

তিব্বতি আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা ৯০ বছর বয়সে গ্র্যামি পেলেন

বিমান বিধ্বস্তে নিহত উক্য চিং মারমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

ঢাকা উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে  রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়া গ্রামে  মেধাবী ছাত্র উক্য চিং মারমা্র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

আজ (২৩ জুলাই) বুধবার বিকেল ৩টায় তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন শেষ করে তাকে শ্মশানে নিয়ে যায়।এবং উক্যছাইং মারমাকে(১৪) বৌদ্ধ ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী তাকে সমাহিত করা হয়।

জানা যায়, উক্য চিং মেধাবী ও বিনয়ী ছিলেন এবং সৃজনশীল চিন্তা ভাবনাও ছিল তার মধ্যে।  পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত গ্রামে পড়াশোনা করে,  পরে উচ্চ শিক্ষার লক্ষে ঢাকায় নিয়ে যান তার পরিবার।

তার বাবা উসাইমং মারমা বলেন-আমার ছেলে অত্যন্ত বিনয়ী এবং মেধাবী ছিলেন। উক্যছাইং বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন ছিল তা আর হলো না। গত ২১ জুলাই আমার কাছে একটা কল আসে দুপুরে ওপর দিক থেকে বলে আপনি কোথায় আছেন আমি বললাম আমি রাজস্থলী তখন ওপার থেকে বলেন আপনার ছেলে হাসপাতালে আপনাকে দ্রুত আসতে হবে না হয় কোন আত্মায়ী থাকলে তাদের পাঠান।তখন আমার আত্মীয়দের পাঠালাম এবং আমি রাত ১২ টায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পৌছায় এবং ডাক্তার বলেন আপনার ছেলে শতভাগ বার্ন হয়েছে।তার জন্য দোয়া করেন। এ কথাগুলো বলতে বলতে শুধু কান্না করছেন।তিনি বলেন তার ভালো কথা বলে শেষ করতে পারব না।

অন্যদিকে তার (উক্যছাইং)মা কোনভাবে কথা বলতে পারছেন না বার বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন ছেলের শোকে।