১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পার্বত্য সংঘরাজ ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের’র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ শুরু

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০২:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৫৪ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশের চতুর্থ সংঘরাজ, সাদা মনের মানুষ ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের’ র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ৩ দিন ব্যাপি অনুষ্ঠান যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার , শুক্রবার, শনিবার ১৮, ১৯ ও ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি  মগবান শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে এ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের ছিলেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের প্রতিষ্ঠাতা, মিয়ানমার সরকার প্রদত্ত “অগ্রমহাপণ্ডিত” উপাধিপ্রাপ্ত, এটিএন বাংলা ও ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃক “সাদা মনের মানুষ” স্বীকৃতিপ্রাপ্ত, কাচালং শিশু সদনের অধ্যক্ষ এবং অনাথপিতা বৌদ্ধ সমাজের কীর্তিমান পুণ্যপুরুষ।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় দায়ক-দায়িকাদের উপস্থিতিতে  বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে পবিত্র মরদেহ নিয়ে  র‍্যালীর মাধ্যমে শুরু হয়।

প্রথম দিনের অনুষ্ঠান (১৮ ডিসেম্বর):পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশের সভাপতি ভদন্ত প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাথের’র সভাপতিত্বে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায় চাকমা, বিশেষ অতিথি প্রাক্তন অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা  জর্জ  দীপেন দেওয়ান, জেলা পরিষদ সদস্য  দেব প্রসাদ দেওয়ান।

দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান (১৯ ডিসেম্বর): আশীর্বাদক থাকবেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের উপসংঘরাজ  ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথের,  ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের’ র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পরিষদের সভাপতি  ভদন্ত শ্রদ্ধালংকার মহাথেরর সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি থাকবেন সুপ্রদীপ চাকমা (রাষ্ট্রদূত অব.), বিশেষ অতিথি কাজল তালুকদার ও মোঃ রকিব হোসেন (পুলিশ সুপার)।

তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান (২০ ডিসেম্বর): সভাপতিত্ব করবেন ভদন্ত কল্যামিত্র মহাথের। সকাল ১১টায় দানকার্য ও আলোচনা সভা ও ভিক্ষু সংঘের পিন্ডুগ্রহণের মধ্য দিয়ে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উদযাপন পরিষদের সভাপতি ভদন্ত শ্রদ্ধালংকার মহাথের জানান, ক্ষণজম্মা ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের জন্ম সাল ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে, প্রবজ্যা ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে, উপস্মদা ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে এবং মহাপ্রয়াণ ০২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রিস্টাব্দে। ব্যক্তি জীবনে তিনি ধর্ম ও অনাথ শিশুদের শিক্ষাদানে ব্যাপক অবদান রেখেছেন।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

তিব্বতি আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা ৯০ বছর বয়সে গ্র্যামি পেলেন

পার্বত্য সংঘরাজ ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের’র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ শুরু

আপডেট সময় ০২:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশের চতুর্থ সংঘরাজ, সাদা মনের মানুষ ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের’ র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ৩ দিন ব্যাপি অনুষ্ঠান যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার , শুক্রবার, শনিবার ১৮, ১৯ ও ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি  মগবান শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে এ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের ছিলেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের প্রতিষ্ঠাতা, মিয়ানমার সরকার প্রদত্ত “অগ্রমহাপণ্ডিত” উপাধিপ্রাপ্ত, এটিএন বাংলা ও ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃক “সাদা মনের মানুষ” স্বীকৃতিপ্রাপ্ত, কাচালং শিশু সদনের অধ্যক্ষ এবং অনাথপিতা বৌদ্ধ সমাজের কীর্তিমান পুণ্যপুরুষ।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় দায়ক-দায়িকাদের উপস্থিতিতে  বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে পবিত্র মরদেহ নিয়ে  র‍্যালীর মাধ্যমে শুরু হয়।

প্রথম দিনের অনুষ্ঠান (১৮ ডিসেম্বর):পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশের সভাপতি ভদন্ত প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাথের’র সভাপতিত্বে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায় চাকমা, বিশেষ অতিথি প্রাক্তন অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা  জর্জ  দীপেন দেওয়ান, জেলা পরিষদ সদস্য  দেব প্রসাদ দেওয়ান।

দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান (১৯ ডিসেম্বর): আশীর্বাদক থাকবেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের উপসংঘরাজ  ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথের,  ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের’ র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পরিষদের সভাপতি  ভদন্ত শ্রদ্ধালংকার মহাথেরর সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি থাকবেন সুপ্রদীপ চাকমা (রাষ্ট্রদূত অব.), বিশেষ অতিথি কাজল তালুকদার ও মোঃ রকিব হোসেন (পুলিশ সুপার)।

তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান (২০ ডিসেম্বর): সভাপতিত্ব করবেন ভদন্ত কল্যামিত্র মহাথের। সকাল ১১টায় দানকার্য ও আলোচনা সভা ও ভিক্ষু সংঘের পিন্ডুগ্রহণের মধ্য দিয়ে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উদযাপন পরিষদের সভাপতি ভদন্ত শ্রদ্ধালংকার মহাথের জানান, ক্ষণজম্মা ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথের জন্ম সাল ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে, প্রবজ্যা ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে, উপস্মদা ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে এবং মহাপ্রয়াণ ০২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রিস্টাব্দে। ব্যক্তি জীবনে তিনি ধর্ম ও অনাথ শিশুদের শিক্ষাদানে ব্যাপক অবদান রেখেছেন।