০৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিক্ষায় একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৮৩৩ বার পড়া হয়েছে

২০২৪ সালের একুশে পদক পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় স্বীকৃতি স্বরূপ একুশে পদক পাচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পালি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান  অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু।

এবছর ২১টি বিভাগে ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষা বিভাগে তিনি এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

একুশে পদকে মনোনীত হয়ে জিনবোধি ভিক্ষু সংবাদমাধ্যমকে  বলেন, আমরা মা আমাকে একটি কথা বলেছিলো, ‘তুমি শুধু লেখাপড়া করবে না, পিছিয়ে পড়া জাতিকে শিক্ষায় সমুন্নত করার জন্য ভূমিকা রাখবে’। আমি মায়ের কথাকে প্রধান্য দিয়ে জাতির জন্য কাজ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ও অতীশ দীপঙ্কর হল করে দিয়েছি। এছাড়া অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার জন্য কাজ করছি। একুশে পদকে আমাকে মনোনীত করায় আমি আনন্দিত। এজন্য আমি ধন্যবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রীকে এবং আমার কলেজ জীবনের শিক্ষক একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হককে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের শিক্ষকরা যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে তাঁরা এমন সম্মানে ভূষিত হবেন।’

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কারের পর রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এ পদক দিয়ে আসছে সরকার। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্তদের একুশে পদক দেবেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন চার লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

সীবলী কো-অপারেটিভ সোসাইটি’র শুভ উদ্ভোধন

শিক্ষায় একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু

আপডেট সময় ১০:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

২০২৪ সালের একুশে পদক পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় স্বীকৃতি স্বরূপ একুশে পদক পাচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পালি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান  অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু।

এবছর ২১টি বিভাগে ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষা বিভাগে তিনি এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

একুশে পদকে মনোনীত হয়ে জিনবোধি ভিক্ষু সংবাদমাধ্যমকে  বলেন, আমরা মা আমাকে একটি কথা বলেছিলো, ‘তুমি শুধু লেখাপড়া করবে না, পিছিয়ে পড়া জাতিকে শিক্ষায় সমুন্নত করার জন্য ভূমিকা রাখবে’। আমি মায়ের কথাকে প্রধান্য দিয়ে জাতির জন্য কাজ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ও অতীশ দীপঙ্কর হল করে দিয়েছি। এছাড়া অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার জন্য কাজ করছি। একুশে পদকে আমাকে মনোনীত করায় আমি আনন্দিত। এজন্য আমি ধন্যবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রীকে এবং আমার কলেজ জীবনের শিক্ষক একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হককে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের শিক্ষকরা যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে তাঁরা এমন সম্মানে ভূষিত হবেন।’

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কারের পর রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এ পদক দিয়ে আসছে সরকার। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্তদের একুশে পদক দেবেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন চার লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।