০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রামু বৌদ্ধপল্লী ট্র্যাজেডির ১১ বছর আজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০২:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ৭৬১ বার পড়া হয়েছে

রামু ট্র্যাজেডির ১১ বছর আজ। ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পুরাকীর্তির ঐতিহ্যবাহী জনপদ রম্যভূমি খ্যাত রামুর বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ বসতিতে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের যুবক উত্তম বড়ুয়া ফেসবুক পেইজে পবিত্র কোরআন অবমাননার ছবি পোষ্ট করেছেন, এমন অভিযোগে এক রাতে কয়েকশ বছরের পুরনো ১২টি বৌদ্ধ বিহার ও ২৬টি বসত ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। একই অভিযোগে পরের দিন ৩০ সেপ্টেম্বর উখিয়া, টেকনাফ, কক্সবাজার ও পটিয়ার বিভিন্ন বৌদ্ধমন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে এজাহারভুক্ত ৩৭৫ জনসহ অজ্ঞাত ১৫ থেকে ১৬ হাজার জনকে অভিযুক্ত করে ১৯টি মামলা দায়ের করে। রামুতে একটি মামলা আপস-মীমাংসায় আদালতে খারিজ হয়ে যায়।

কয়েকশত বছরের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পুড়ে যাওয়ার ঘটনার পরপরই পোড়া বিহারে  তৈরি হয়েছে সরকারি উদ্যোগে নান্দনিক অনেক স্থাপনা।

বর্তমানে আদালতে যে ১৮টি মামলা বিচারাধীন সেইসব মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রদানের জন্য অনেকবার সমন জারি করা হলেও তারা সাক্ষী দিতে আদালতে হাজির হচ্ছেন না।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রামু থানায় দায়ের করা ৮ মামলায় এজাহারভুক্ত মোট আসামি ৭ হাজার ৮৭৫ জন। এর মধ্যে ১১১ জনের নাম-ঠিকানা উল্লেখ থাকলেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল মাত্র ৭৪ জনকে। সন্দেহভাজন হিসাবে আটক করা হয় ১৩২ জনকে। উখিয়া থানায় দায়ের করা ৭ মামলায় ৫ হাজার ৬২৪ আসামির মধ্যে ১১৬ জন, টেকনাফ থানার দুটি মামলায় ৬৫৩ আসামির মধ্যে ৬৩ জন, কক্সবাজার সদর মডেল থানায় ২ মামলায় ১ হাজার ৩০ আসামির মধ্যে ৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশীট) আদালতে দাখিল করার ১১ বছর পার হলেও এখনও একটি মামলাও নিষ্পত্তি হয়নি। ওইসব মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সবাই এখন জামিনে আছেন।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

সীবলী কো-অপারেটিভ সোসাইটি’র শুভ উদ্ভোধন

রামু বৌদ্ধপল্লী ট্র্যাজেডির ১১ বছর আজ

আপডেট সময় ০২:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রামু ট্র্যাজেডির ১১ বছর আজ। ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পুরাকীর্তির ঐতিহ্যবাহী জনপদ রম্যভূমি খ্যাত রামুর বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ বসতিতে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের যুবক উত্তম বড়ুয়া ফেসবুক পেইজে পবিত্র কোরআন অবমাননার ছবি পোষ্ট করেছেন, এমন অভিযোগে এক রাতে কয়েকশ বছরের পুরনো ১২টি বৌদ্ধ বিহার ও ২৬টি বসত ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। একই অভিযোগে পরের দিন ৩০ সেপ্টেম্বর উখিয়া, টেকনাফ, কক্সবাজার ও পটিয়ার বিভিন্ন বৌদ্ধমন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে এজাহারভুক্ত ৩৭৫ জনসহ অজ্ঞাত ১৫ থেকে ১৬ হাজার জনকে অভিযুক্ত করে ১৯টি মামলা দায়ের করে। রামুতে একটি মামলা আপস-মীমাংসায় আদালতে খারিজ হয়ে যায়।

কয়েকশত বছরের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পুড়ে যাওয়ার ঘটনার পরপরই পোড়া বিহারে  তৈরি হয়েছে সরকারি উদ্যোগে নান্দনিক অনেক স্থাপনা।

বর্তমানে আদালতে যে ১৮টি মামলা বিচারাধীন সেইসব মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রদানের জন্য অনেকবার সমন জারি করা হলেও তারা সাক্ষী দিতে আদালতে হাজির হচ্ছেন না।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রামু থানায় দায়ের করা ৮ মামলায় এজাহারভুক্ত মোট আসামি ৭ হাজার ৮৭৫ জন। এর মধ্যে ১১১ জনের নাম-ঠিকানা উল্লেখ থাকলেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল মাত্র ৭৪ জনকে। সন্দেহভাজন হিসাবে আটক করা হয় ১৩২ জনকে। উখিয়া থানায় দায়ের করা ৭ মামলায় ৫ হাজার ৬২৪ আসামির মধ্যে ১১৬ জন, টেকনাফ থানার দুটি মামলায় ৬৫৩ আসামির মধ্যে ৬৩ জন, কক্সবাজার সদর মডেল থানায় ২ মামলায় ১ হাজার ৩০ আসামির মধ্যে ৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশীট) আদালতে দাখিল করার ১১ বছর পার হলেও এখনও একটি মামলাও নিষ্পত্তি হয়নি। ওইসব মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সবাই এখন জামিনে আছেন।