১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবান রাজবিলা তাইনখালীপাড়ায় সংঘমিত্বা সেবা সংঘ বিহারের বুদ্ধমূর্তি

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩
  • ১৬৫৬ বার পড়া হয়েছে

সবুজে ঢাকা টিলার ওপর ধ্যানে মগ্ন গৌতম বুদ্ধকে বেশ দূর থেকেই চোখে পড়ে। আসনে বসা বুদ্ধের মাথার পেছনে আকাশের পটভূমি। কাছাকাছি এলে থমকে দাঁড়াতে হয়। প্রশান্তি আর গভীর অনুভূতিতে মন আচ্ছন্ন হয়। বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের তাইনখালীপাড়ায় সংঘমিত্বা সেবা সংঘ বিহারে নির্মিত হয়েছে ধ্যানরত অবস্থায় এই বুদ্ধমূর্তি।

জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কে রাজবিলা তাইনখালীপাড়ায় সংঘমিত্বা সেবা সংঘ বিহারের অবস্থান। ১৮ বছর আগে পাহাড়ঘেরা স্থানে বিহারটি গড়ে ওঠে। বিহার প্রাঙ্গণে রয়েছে একটি আবাসিক বিদ্যালয় ও ধ্যানকেন্দ্র। বিহারের অধ্যক্ষ উ. উইসুধা মহাথের কম্পিউটার ভান্তে নামেও এলাকায় পরিচিত। মূলত তাঁর উদ্যোগেই এই মূর্তি নির্মিত হয়েছে।

মূর্তির ধ্যানের আসনের উচ্চতা ১২ ফুট। এর ওপর আসীন বুদ্ধমূর্তিটি ৩৩ ফুট উঁচু। মিয়ানমার থেকে আসা একজন শিল্পী এটি নির্মাণ করেছেন।  মিয়ানমারের স্থপতি দিয়ে বুদ্ধমূর্তি দুই বছর ধরে নির্মাণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

কক্সবাজার জেলা বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদ কমিটি গঠিত

বান্দরবান রাজবিলা তাইনখালীপাড়ায় সংঘমিত্বা সেবা সংঘ বিহারের বুদ্ধমূর্তি

আপডেট সময় ০৩:০৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

সবুজে ঢাকা টিলার ওপর ধ্যানে মগ্ন গৌতম বুদ্ধকে বেশ দূর থেকেই চোখে পড়ে। আসনে বসা বুদ্ধের মাথার পেছনে আকাশের পটভূমি। কাছাকাছি এলে থমকে দাঁড়াতে হয়। প্রশান্তি আর গভীর অনুভূতিতে মন আচ্ছন্ন হয়। বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের তাইনখালীপাড়ায় সংঘমিত্বা সেবা সংঘ বিহারে নির্মিত হয়েছে ধ্যানরত অবস্থায় এই বুদ্ধমূর্তি।

জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কে রাজবিলা তাইনখালীপাড়ায় সংঘমিত্বা সেবা সংঘ বিহারের অবস্থান। ১৮ বছর আগে পাহাড়ঘেরা স্থানে বিহারটি গড়ে ওঠে। বিহার প্রাঙ্গণে রয়েছে একটি আবাসিক বিদ্যালয় ও ধ্যানকেন্দ্র। বিহারের অধ্যক্ষ উ. উইসুধা মহাথের কম্পিউটার ভান্তে নামেও এলাকায় পরিচিত। মূলত তাঁর উদ্যোগেই এই মূর্তি নির্মিত হয়েছে।

মূর্তির ধ্যানের আসনের উচ্চতা ১২ ফুট। এর ওপর আসীন বুদ্ধমূর্তিটি ৩৩ ফুট উঁচু। মিয়ানমার থেকে আসা একজন শিল্পী এটি নির্মাণ করেছেন।  মিয়ানমারের স্থপতি দিয়ে বুদ্ধমূর্তি দুই বছর ধরে নির্মাণ করা হয়েছে।