০৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রকৃত বন্ধু

  • ঝর্না বড়ুয়া
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩
  • ৮২০ বার পড়া হয়েছে

সভ্যতার বিশ্বায়নের যুগে দূরের কাছের, পরিচিত অপরিচিত, অসম বয়সের নানা জাতি গোষ্ঠীর বিভিন্ন পেশার আবালবৃদ্ধরমণী সবাই সবার বন্ধু।

বিশেষত সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে বলছি, আদিকাল থেকে নিজস্ব পরিবার ও সমাজে বন্ধুত্ব রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বেশীভাগ ক্ষেত্রে এই বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী হয়না, বরং এই বন্ধুত্বের টানাপোড়নে মাঝেমধ্যে ভীষন হতাশা ও মানসিক কষ্টেরও কারন হয়। শোনা যায় নানারকম মুখরোচক নেগেটিভ অপালাপ।

ব্যক্তিগত জীবনেও এই ধরনের নানামুখী সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে বিগত এক বছরের অভিজ্ঞতা থেকে। গত বছরের শেষ থেকে আমার প্রাণচঞ্চল জীবন প্রায় স্তিমিত হয়ে পরেছে। হঠাৎ এক অজানা আতন্ক আমার পরিবারে ভর করে জীবনকে মুহূর্তে এক অজানা ট্রানজিটে চলমান যাপিত জীবনকে ছকে বাধা এক বন্দী জীবনে দাঁড় করে দিয়েছে। আমার কোন অনুতাপ নেই। কারন কর্ম ও কর্মফলের উপর জীবন চক্র ঘূর্ণায়মান। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। এখানে তাই একটু সংযুক্ত করতে চাই, আমরা কেউ ভবিষৎ জানিনা, প্রত্যেকে শরীরের প্রতি যত্নবান হয়ে শৃঙ্খলিত জীবনে অভ্যস্ত হওয়া শ্রেয়। আর প্রত্যেক পরিবারে সবাইকে স্বাধীন ভাবে নিজস্ব মেধা মননে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া উচিত। নিজের ও পরিবারের যে কোন অশনিসংকেতে যেন শক্ত মনোবলে সঠিক সমাধান করতে পারে। বদ্ধুত্বের মাঝে প্রকৃত বন্ধু ও বন্ধুরূপী শত্রু চেনার সঠিক উপায় নিয়ে কিছু কথা লিখতে চায় যা বাস্তবতা এবং জীবনের ঘটে যাওয়া চরম অভিজ্ঞতা থেকে ।

বন্ধু হচ্ছে এমন একটা সম্পর্ক যা চিরকাল আপনজগতকে মাতিয়ে রাখে। কালেকালে এরূপ বন্ধুকে নিয়ে কত গান, কবিতা, গল্প, নাটক, উপন্যাস ও ছবি নির্মিত হয়েছে। সুখে দুঃখে আনন্দে উৎসবে বন্ধু ছাড়া চলে না দিন। মাবা-বা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, আপনজন, স্বামী-স্ত্রী প্রত্যেক সম্পর্ককে ছাপিয়ে যায় বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বের মধ্যে কোন ধরনের কার্পণ্য , দ্বিধাদন্দ্ব বা কোন ধরনের দূরত্ব থাকে না। মনের উচ্ছ্বাসে উচ্চবাচ্য কথনে প্রাণে প্রাণে এক মহামিলনের  মহাক্ষণ বন্ধুদের আড্ডা। এমন প্রাণের বন্ধু যদি কোনসময় ব্যতিক্রম হয় তা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। তাই আসল বন্ধু চেনার চারটি গুনধর্ম বা কোয়ালিটি বিদ্যমান থাকবে।
যথা:

১. যিনি উপকারীর উপকার স্বীকার করেন।
২. যিনি একে অপরের সুখ দুঃখে সমভাগী।
৩. যিনি সত্য ও সৎ উপদেশ দাতা।
৪. যিনি একে অপরের প্রতি আদর, দয়া ও ভালাবাসায় সিক্ত বা দয়ার্দ্র।

প্রথমত যিনি উপকারী বন্ধু তাকে সুহৃদ বলা হয়। কারো কোন চঞ্চলতাকে ও বিপদআপদ থেকে নিজগুণে রক্ষা করেন। একে অপরের ধনসম্পত্তি, ব্যবসাবাণিজ্য, চাকুরী ও পড়াশোনা প্রভৃতি ক্ষেত্রে সঠিক যুক্তি ও সঠিক পরামর্শ দান করেন। নিজের অসুবিধে হলেও অর্থবিত্ত ও বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে বন্ধুকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। তিনিই বন্ধু হওয়ার প্রথম ধাপ বা প্রথম গুনের অধিকারী।

দ্বিতীয়ত এমন একটি গুণ খুবই প্রয়োজন যিনি গোপন বিষয়াদি তা কোন অবস্থাতে প্রকাশ করেন না এবং নিজেদের দোষক্রটি খোলামনে আলাপচারীতায় তা সংশোধন করেন। বিপদে কোনদিন বন্ধুকে ত্যাগ করেন না। বন্ধুর জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত এমনই প্রাণের বান্ধব বন্ধু হওয়ার উপযুক্ত।

তৃতীয়ত যিনি পরব্রতে ও পরকল্যানে একে অপরকে উৎসাহিত করেন , ভালো কাজে উৎসাহ প্রদান করেন। নতুন তথ্য উপাত্ত নিয়ে আলোচনা করেন সবসময় আপডেট থাকেন । এককথায়, নিজের ও অপরের কল্যানে কাজ করার সুন্দর পথ তৈরী করেন এমনই প্রিয়জন প্রাণের বন্ধু হওয়ার উপযুক্ত।

চতুর্থত যিনি একে অপরের দুঃখে আন্দদিত হন না, একে অপরের সুখে সুখী হন, অন্য কেহ বন্ধু সম্বন্ধে নিন্দা করলে তৎস্হানে প্রতিবাদের ঝড় তোলেন। যারা বন্ধুদের প্রশংসা করেন সেস্থলে তিনিও প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। একে অপরের প্রতি এমন আন্তরিক দয়াশীল, আদর ও ভালোবাসায় সিক্ত থাকে তিনিই হৃদয়ের পরম বন্ধু হওয়ার উপযুক্ত।

উপরোল্লিখিত চারটি গুণধর্মের বিপরীতে পরহিত হরনকারী, বাকসবর্স্ব, তোষামোদকারী ও অপ্রীতিকর কাজে লিপ্ত করেন তারাই বন্ধু নামের শত্রু। যদিও বিপদ কেউ মনেপ্রাণে চায় না তারপরও বিপদে বন্ধু চেনার সবচেয়ে উত্তম সময়। যারা আমার পরম বন্ধু তারা আমাকে আমার সামনে ভুলত্রুটি সংশোধন করে দেবেন। সামনে গদগদ প্রশংসা আর পিছনে হাজারো নিন্দাবাক্য ছুঁড়েন তারাই সত্যিকারের আপনজন বা বন্ধু নামের কলংক বা বন্ধুরূপী শত্রু । আমরা সবাই কমবেশি বন্ধু চেনার উপায় জানি তবুও আজ একটু মিলিয়ে নেবেন এমন গুনের অধিকারী আমরা কয়জনা !পরিশেষে বলি, সবার জীবনে ভালোমন্দ সময়ে মানসিক প্রশান্তির জন্য একজন সঠিক বন্ধু প্রয়োজন। বন্ধুহীন জীবনকে বলা যায় অনেকটা নিঃস্ব। ঘরবাড়ী, গাড়ী, কাড়ি কাড়ি টাকাপয়সা থাকলেও মনের উৎকর্ষতার জন্য একজন সৎ, নিষ্টাবান, পরোপকারী ও সমমনা বন্ধু বড় প্রয়োজন। এমন বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল। সবার জীবনে প্রকৃত বন্ধু লাভ করুন । জীবন চলার পথে ভালো বন্ধুর সাথে যেন সর্বদা দেখা হয় । তাই প্রিয় বন্ধুদের হার্ট থ্রুব শিল্পী পার্থ বড়ুয়ার সোলসের গানের কথা দিয়ে বলছি:

“দেখা হবে বন্ধু কারনে আর অকারনে
দেখা হবে বন্ধু চাপা কোনো অভিমানে
দেখা হবে বন্ধু সাময়িক বৈরিতায় অস্থির অপারগতায়
দেখা হবে বন্ধু নাটকীয় কোনো বিনয়ী ভঙ্গিতে
ভালোবাসার শুভ্র ইঙ্গিতে”।

ঝর্না বড়ুয়া
প্রাবন্ধিক ও প্রাক্তন এনজিও কর্মী
লং বীচ, ক্যালিফোর্নিয়া
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
তারিখঃ২৫ শে মার্চ ২০২২৩ইংরেজি

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

বুদ্ধ পূর্ণিমায় কোন ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই : ডিএমপি কমিশনার

প্রকৃত বন্ধু

আপডেট সময় ০১:৪৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩

সভ্যতার বিশ্বায়নের যুগে দূরের কাছের, পরিচিত অপরিচিত, অসম বয়সের নানা জাতি গোষ্ঠীর বিভিন্ন পেশার আবালবৃদ্ধরমণী সবাই সবার বন্ধু।

বিশেষত সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে বলছি, আদিকাল থেকে নিজস্ব পরিবার ও সমাজে বন্ধুত্ব রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বেশীভাগ ক্ষেত্রে এই বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী হয়না, বরং এই বন্ধুত্বের টানাপোড়নে মাঝেমধ্যে ভীষন হতাশা ও মানসিক কষ্টেরও কারন হয়। শোনা যায় নানারকম মুখরোচক নেগেটিভ অপালাপ।

ব্যক্তিগত জীবনেও এই ধরনের নানামুখী সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে বিগত এক বছরের অভিজ্ঞতা থেকে। গত বছরের শেষ থেকে আমার প্রাণচঞ্চল জীবন প্রায় স্তিমিত হয়ে পরেছে। হঠাৎ এক অজানা আতন্ক আমার পরিবারে ভর করে জীবনকে মুহূর্তে এক অজানা ট্রানজিটে চলমান যাপিত জীবনকে ছকে বাধা এক বন্দী জীবনে দাঁড় করে দিয়েছে। আমার কোন অনুতাপ নেই। কারন কর্ম ও কর্মফলের উপর জীবন চক্র ঘূর্ণায়মান। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। এখানে তাই একটু সংযুক্ত করতে চাই, আমরা কেউ ভবিষৎ জানিনা, প্রত্যেকে শরীরের প্রতি যত্নবান হয়ে শৃঙ্খলিত জীবনে অভ্যস্ত হওয়া শ্রেয়। আর প্রত্যেক পরিবারে সবাইকে স্বাধীন ভাবে নিজস্ব মেধা মননে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া উচিত। নিজের ও পরিবারের যে কোন অশনিসংকেতে যেন শক্ত মনোবলে সঠিক সমাধান করতে পারে। বদ্ধুত্বের মাঝে প্রকৃত বন্ধু ও বন্ধুরূপী শত্রু চেনার সঠিক উপায় নিয়ে কিছু কথা লিখতে চায় যা বাস্তবতা এবং জীবনের ঘটে যাওয়া চরম অভিজ্ঞতা থেকে ।

বন্ধু হচ্ছে এমন একটা সম্পর্ক যা চিরকাল আপনজগতকে মাতিয়ে রাখে। কালেকালে এরূপ বন্ধুকে নিয়ে কত গান, কবিতা, গল্প, নাটক, উপন্যাস ও ছবি নির্মিত হয়েছে। সুখে দুঃখে আনন্দে উৎসবে বন্ধু ছাড়া চলে না দিন। মাবা-বা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, আপনজন, স্বামী-স্ত্রী প্রত্যেক সম্পর্ককে ছাপিয়ে যায় বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বের মধ্যে কোন ধরনের কার্পণ্য , দ্বিধাদন্দ্ব বা কোন ধরনের দূরত্ব থাকে না। মনের উচ্ছ্বাসে উচ্চবাচ্য কথনে প্রাণে প্রাণে এক মহামিলনের  মহাক্ষণ বন্ধুদের আড্ডা। এমন প্রাণের বন্ধু যদি কোনসময় ব্যতিক্রম হয় তা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। তাই আসল বন্ধু চেনার চারটি গুনধর্ম বা কোয়ালিটি বিদ্যমান থাকবে।
যথা:

১. যিনি উপকারীর উপকার স্বীকার করেন।
২. যিনি একে অপরের সুখ দুঃখে সমভাগী।
৩. যিনি সত্য ও সৎ উপদেশ দাতা।
৪. যিনি একে অপরের প্রতি আদর, দয়া ও ভালাবাসায় সিক্ত বা দয়ার্দ্র।

প্রথমত যিনি উপকারী বন্ধু তাকে সুহৃদ বলা হয়। কারো কোন চঞ্চলতাকে ও বিপদআপদ থেকে নিজগুণে রক্ষা করেন। একে অপরের ধনসম্পত্তি, ব্যবসাবাণিজ্য, চাকুরী ও পড়াশোনা প্রভৃতি ক্ষেত্রে সঠিক যুক্তি ও সঠিক পরামর্শ দান করেন। নিজের অসুবিধে হলেও অর্থবিত্ত ও বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে বন্ধুকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। তিনিই বন্ধু হওয়ার প্রথম ধাপ বা প্রথম গুনের অধিকারী।

দ্বিতীয়ত এমন একটি গুণ খুবই প্রয়োজন যিনি গোপন বিষয়াদি তা কোন অবস্থাতে প্রকাশ করেন না এবং নিজেদের দোষক্রটি খোলামনে আলাপচারীতায় তা সংশোধন করেন। বিপদে কোনদিন বন্ধুকে ত্যাগ করেন না। বন্ধুর জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত এমনই প্রাণের বান্ধব বন্ধু হওয়ার উপযুক্ত।

তৃতীয়ত যিনি পরব্রতে ও পরকল্যানে একে অপরকে উৎসাহিত করেন , ভালো কাজে উৎসাহ প্রদান করেন। নতুন তথ্য উপাত্ত নিয়ে আলোচনা করেন সবসময় আপডেট থাকেন । এককথায়, নিজের ও অপরের কল্যানে কাজ করার সুন্দর পথ তৈরী করেন এমনই প্রিয়জন প্রাণের বন্ধু হওয়ার উপযুক্ত।

চতুর্থত যিনি একে অপরের দুঃখে আন্দদিত হন না, একে অপরের সুখে সুখী হন, অন্য কেহ বন্ধু সম্বন্ধে নিন্দা করলে তৎস্হানে প্রতিবাদের ঝড় তোলেন। যারা বন্ধুদের প্রশংসা করেন সেস্থলে তিনিও প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। একে অপরের প্রতি এমন আন্তরিক দয়াশীল, আদর ও ভালোবাসায় সিক্ত থাকে তিনিই হৃদয়ের পরম বন্ধু হওয়ার উপযুক্ত।

উপরোল্লিখিত চারটি গুণধর্মের বিপরীতে পরহিত হরনকারী, বাকসবর্স্ব, তোষামোদকারী ও অপ্রীতিকর কাজে লিপ্ত করেন তারাই বন্ধু নামের শত্রু। যদিও বিপদ কেউ মনেপ্রাণে চায় না তারপরও বিপদে বন্ধু চেনার সবচেয়ে উত্তম সময়। যারা আমার পরম বন্ধু তারা আমাকে আমার সামনে ভুলত্রুটি সংশোধন করে দেবেন। সামনে গদগদ প্রশংসা আর পিছনে হাজারো নিন্দাবাক্য ছুঁড়েন তারাই সত্যিকারের আপনজন বা বন্ধু নামের কলংক বা বন্ধুরূপী শত্রু । আমরা সবাই কমবেশি বন্ধু চেনার উপায় জানি তবুও আজ একটু মিলিয়ে নেবেন এমন গুনের অধিকারী আমরা কয়জনা !পরিশেষে বলি, সবার জীবনে ভালোমন্দ সময়ে মানসিক প্রশান্তির জন্য একজন সঠিক বন্ধু প্রয়োজন। বন্ধুহীন জীবনকে বলা যায় অনেকটা নিঃস্ব। ঘরবাড়ী, গাড়ী, কাড়ি কাড়ি টাকাপয়সা থাকলেও মনের উৎকর্ষতার জন্য একজন সৎ, নিষ্টাবান, পরোপকারী ও সমমনা বন্ধু বড় প্রয়োজন। এমন বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল। সবার জীবনে প্রকৃত বন্ধু লাভ করুন । জীবন চলার পথে ভালো বন্ধুর সাথে যেন সর্বদা দেখা হয় । তাই প্রিয় বন্ধুদের হার্ট থ্রুব শিল্পী পার্থ বড়ুয়ার সোলসের গানের কথা দিয়ে বলছি:

“দেখা হবে বন্ধু কারনে আর অকারনে
দেখা হবে বন্ধু চাপা কোনো অভিমানে
দেখা হবে বন্ধু সাময়িক বৈরিতায় অস্থির অপারগতায়
দেখা হবে বন্ধু নাটকীয় কোনো বিনয়ী ভঙ্গিতে
ভালোবাসার শুভ্র ইঙ্গিতে”।

ঝর্না বড়ুয়া
প্রাবন্ধিক ও প্রাক্তন এনজিও কর্মী
লং বীচ, ক্যালিফোর্নিয়া
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
তারিখঃ২৫ শে মার্চ ২০২২৩ইংরেজি