০৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পটিয়ার হাইদগাঁও -চক্রশালা ফরাচাঙ্গি (ফরাতারা) মেলা ১৩ এপ্রিল

  • ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময় ০৭:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩
  • ৯২৭ বার পড়া হয়েছে

পটিয়ার ঐতিহাসিক বৌদ্ধতীর্থ হাইদগাঁও -চক্রশালা ফরাচাঙ্গি (ফরাতারা) মেলা দিনব‍্যাপি আগামী ১৩ই ত্রপ্রিল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ‍্যে আছে বুদ্ধপূজা,চৈত‍্য বন্দনা,শীল গ্রহণ,সংঘদান, অতিথি ভোজন ও মেলা। প্রতিবছর বিষুব চৈত্র সংক্রান্তি তিথিতে ৩০ চৈত্র/১৩ এপ্রিল এ মেলা বসে। মেলায় তরমুজ, বাঙ্গি, তুলা, জালসহ ও নানান রকম গ্রামীণ পণ‍্যের পসরা বসে। দুর দুরান্ত থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায় ছাড়াও নানা ধর্মের মানুষের সমাবেশ ঘটে।

বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার মহাসচিব ভদন্ত বোধিমিত্র মহাথের জানান,

কথিত আছে,এ পবিত্র পুণ্যতীর্থে তথাগত বুদ্ধ বার্মা যাওয়ার পথে তৎকালীন রাজার প্রার্থনায় বিশ্রাম করেছিলেন। প্রাচীন কালে চক্রশালা রাজধানী ছিল।প্রচুর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বসবাস ছিল।বর্তমানে কোন বৌদ্ধ নাই।শুধু ছবিতে দেখা চৈত্যটি বিরাজমান। বৌদ্ধরা এই তীর্থকে জিরানী খোলা ও বলে থাকেন। কোন ফাং ছাড়া শতাধিক বৌদ্ধ ভিক্ষু উপস্হিত থাকেন। আট/দশ হাজার পুণ্যার্থী কোন নিমন্ত্রণ ছাড়া প্রত্যেক বছর উপস্হিত থাকেন।ভক্তদের মিলন মেলায় পবিত্র স্হানটিলোকারন্য হয়ে থাকে। সকাল সাতটায় জোয়ারের মত ভক্তদের উপস্হিতি ও দুপুর একটায় ভাটার মত লোকজন চলে যায়।

শেয়ার করুন
আরও সংবাদ দেখুন

ড. এফ দীপংকর মহাথের’র মৃত্যুতে উদ্বেগ জানিয়েছেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ

পটিয়ার হাইদগাঁও -চক্রশালা ফরাচাঙ্গি (ফরাতারা) মেলা ১৩ এপ্রিল

আপডেট সময় ০৭:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

পটিয়ার ঐতিহাসিক বৌদ্ধতীর্থ হাইদগাঁও -চক্রশালা ফরাচাঙ্গি (ফরাতারা) মেলা দিনব‍্যাপি আগামী ১৩ই ত্রপ্রিল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ‍্যে আছে বুদ্ধপূজা,চৈত‍্য বন্দনা,শীল গ্রহণ,সংঘদান, অতিথি ভোজন ও মেলা। প্রতিবছর বিষুব চৈত্র সংক্রান্তি তিথিতে ৩০ চৈত্র/১৩ এপ্রিল এ মেলা বসে। মেলায় তরমুজ, বাঙ্গি, তুলা, জালসহ ও নানান রকম গ্রামীণ পণ‍্যের পসরা বসে। দুর দুরান্ত থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায় ছাড়াও নানা ধর্মের মানুষের সমাবেশ ঘটে।

বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার মহাসচিব ভদন্ত বোধিমিত্র মহাথের জানান,

কথিত আছে,এ পবিত্র পুণ্যতীর্থে তথাগত বুদ্ধ বার্মা যাওয়ার পথে তৎকালীন রাজার প্রার্থনায় বিশ্রাম করেছিলেন। প্রাচীন কালে চক্রশালা রাজধানী ছিল।প্রচুর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বসবাস ছিল।বর্তমানে কোন বৌদ্ধ নাই।শুধু ছবিতে দেখা চৈত্যটি বিরাজমান। বৌদ্ধরা এই তীর্থকে জিরানী খোলা ও বলে থাকেন। কোন ফাং ছাড়া শতাধিক বৌদ্ধ ভিক্ষু উপস্হিত থাকেন। আট/দশ হাজার পুণ্যার্থী কোন নিমন্ত্রণ ছাড়া প্রত্যেক বছর উপস্হিত থাকেন।ভক্তদের মিলন মেলায় পবিত্র স্হানটিলোকারন্য হয়ে থাকে। সকাল সাতটায় জোয়ারের মত ভক্তদের উপস্হিতি ও দুপুর একটায় ভাটার মত লোকজন চলে যায়।